বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ১১:৫৮ অপরাহ্ন

নতুন প্রযুক্তি আসলে কী? গাভী জন্ম দেবে যমজ বাছুর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া টিভি
  • প্রকাশিত : রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২০

একটি গাভী থেকে বছরে একটির বদলে দুটি বাছুর জন্ম দেয়ার প্রযুক্তিতে সাফল্য পাওয়ার দাবি করছেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউটের বিজ্ঞানীরা।

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. গৌতম কুমার দেব গণমাধ্যমকে বলেন, বাংলাদেশে এটি সম্পূর্ণ নতুন একটি প্রযুক্তি। প্রাথমিক সাফল্যের পর আমরা এটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য কাজ করছি। সফল হলে এটি আমাদের জন্য বড় একটি সুসংবাদ।

বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ বাংলাপিডিয়ায় বলা হয়েছে, দেশে গরুর সংখ্যা প্রায় আড়াই কোটি।

বিজ্ঞানীরা আশা করছেন বাংলাদেশে ভালো মানের গাভীর দুটি করে বাচ্চার প্রকল্প মাঠপর্যায়ে সফল হলে তা গবাদিপশু এবং এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জীবনমানের আরও উন্নতি করা সম্ভব হবে।

তবে এখন প্রশ্ন হলো– নতুন প্রযুক্তি আসলে কী? কীভাবে তা কাজ করে?

ড. গৌতম কুমার দেব বলেন, প্রযুক্তিটির নাম ইনভিট্রো অ্যামব্রায়ো প্রডাকশন বা আইভিপি। তবে এটিকে কেউ কেউ আইভিএ-ও বলে থাকেন।

এতে বেশি দুধ দেয় এমন গাভী থেকে ডিম্বাণু সংগ্রহ করে ল্যাবরেটরিতে নেয়া হয়। সেখানে ডিম্বাণুকে পরিপক্ব করে ফার্টিলাইজ করানো হয়। ফলে যে ভ্রূণের জন্ম হয় গবেষণাগারে সেখান থেকে দুটি করে ভ্রূণ ধাত্রী গাভীতে সংস্থাপন করা হয়। এর পর ওই গাভীটি গর্ভধারণ করলেই দুটি করে বাচ্চা বাড়তে থাকবে।

তিনি বলেন, গবেষণার অংশ হিসেবে তাদের পরীক্ষাগুলোতে সফলতা এসেছে। তাই তারা এখন মাঠপর্যায়ে প্রয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে সফল হওয়ায় আমরা এখন ভালো মানের অ্যানিমেল বাছাই করছি এবং এসব লাইভ অ্যানিমেল থেকে ডিম্বাণু কালেকশনের কাজ করা হবে। আশা করছি মাঠপর্যায়ে এটি সফল হবে এবং পরে তা আমরা ছড়িয়ে দিতে পারব।

তিনি বলেন, একটি সুস্থ ও ভালো মানের গাভীর ডিম্বাণু দিয়ে অনেক গাভীর গর্ভধারণ করানো সম্ভব হবে।

মূলত জোড়া বাছুর চিন্তাটির গবেষণাগারে সফলতা আসতে থাকে কয়েক বছর আগে থেকেই। গত প্রায় চার বছর ধরে পরীক্ষার আওতায় ধারাবাহিকভাবে একটি গাভী থেকে জোড়া বাছুর জন্ম নেয়ার পর এখন এটি মাঠপর্যায়ে নেয়া সম্ভব বলে মনে করছেন গবেষকরা।

শেয়ার করুন :

আরো খবর
© All rights reserved © 2020 brahmanbaria.tv
Design & Developed by Freelancer Zone
themesba-lates1749691102
error: